টেইলারিং সম্পর্কে বিস্তারিত

টেইলারিং

পোশাক দুই ভাবে তৈরি করা হয়, টেইলারিং পদ্ধতি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পদ্ধতি। সর্বপ্রথম টেইলারিং পদ্ধতিতেই পোশাক তৈরি শুরু হয়েছিল। বর্তমানে প্রায় সব দেশেই টেলারিং পদ্ধতি চালু রয়েছে। টেইলারিং এ খুবই সাধারণভাবে পোশাক তৈরি করা হয়আমাদের দেশে টেইলারকে আমরা দর্জি বলে থাকি।

টেইলারিং সিস্টেমের পদ্ধতিগুলো

  1. টেইলারিং পদ্ধতি খুবই সাধারন একটি পদ্ধতি।
  2. টেলারিং এর জন্য সাধারনত ২ – ৪ দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন হয় (এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে টেইলারিং সপ কতটুক বড়)।
  3. নির্দিষ্ট শরীরের মাপ নিয়ে পোশাক তৈরি করা হয়।
  4. ব্যক্তি বিশেষের জন্য আলাদা করে পোশাক তৈরি করা হয়।
  5. একসঙ্গে একটি পোশাক তৈরি করা হয়। ( এটি সম্পূর্ণ কয়টি মেশিন রয়েছে তার উপর নির্ভর করে)
  6. একটি পোশাক তৈরি করতে কয়েক ঘন্টা সময়ের লাগে।
  7. একটি পোশাক তৈরি করা হয় বলে খরচ অনেক বেশি করে।
  8. টেইলারিং পদ্ধতিতে কাপড় ও অপচয় অনেক বেশি হয় কারণ একটি ডিজাইন একটি কাপড়ে ইন্সটল করতে হয়।

পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ

আপনার পছন্দ হতে পারে

সেলাই মেশিন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

গার্মেন্টসে ব্যবহৃত সেলাই মেশিন সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন

১০ মিনিটে সেলাই মেশিন চালানো শিখার জন্য ক্লিক করুন

সুইং মেশিনের বিভিন্ন পার্টসগুলো সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন

Newsletter Updates

Enter your email address below to subscribe to our newsletter

Leave a Reply