রুহের সৃষ্টি

আসমান ও যমীন সৃষ্টি করিবার আগে আল্লাহ তা’আলা তাঁর অসীম কুদরতে আরশ, কুরসী, লওহ, কলম সৃষ্টি করিলেন। অতঃপর ১ লক্ষ ২৪ হাজার পয়গম্বরের রূহ সৃষ্টি করিলেন। পরে সকল বেহেশতী এবং দোজখীদের রূহ সৃষ্টি করিলেন। তারপর জ্বিন জাতির রূহ সৃষ্টি করলেন। সর্বশেষে পশু-পক্ষীর রূহ সৃষ্টি করিলেন।

আকাশ পৃথিবী এবং রূহের পৃথিবীর বেষ্টন করে আল্লাহর আরশ রয়েছে। এ আরশে মুআল্লার চতুর্দিকে রূহ সকল দলে দলে মজুদ রয়েছে। রূহের প্রতি লক্ষ্য করে আল্লাহ তায়ালা বলেন:

আমি কি তোমাদের প্রভু নই?

রূহগন এর উত্তরে বলেন, নিশ্চয়ই তুমি আমাদের প্রভু। তুমি আমাদের পালনকর্তা আমরা কখনও তোমাকে ভুলিব না। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা সকল রূহকে লক্ষ করে ফরমাইলেন –

অইয়াকুল ইয়াওমাল কিয়ামাতি ইন্না কুন্না আনহাযা গাফিলীন‌। আওতাকুলু ইন্নামা আশরাকা আবাউনা মিন কাবলু ওয়া কুন্না যুরবিরাতান মিম বা দিহিম।

অর্থ: আল্লাড় সেই রূহদিগকে সতর্ক করিয়ি বলেন, হে রূহগণ! “অবশেষে তোমরা কেয়ামতের দিন বলিতে না থাকো, যে আমরা এই বিষয়ে কিছুই জানতাম না। যে কেহ আমাদিগকে সৃষ্টিকর্তার সম্বন্ধে বলিয়াছে যে, তাহাকে কখনো ভুলিও না। অথবা ইহা বলিতে থাকো যে, আমাদের পিতা – পিতামহগন শেরেক করিয়াছে। আমার তো তাহাদের পর তাদের সন্তান – সন্ততি।”

কিন্তু দুনিয়াতে আসিয়া প্রভুকে মানুষগণ একেবারে ভুলিয়া যায়। আল্লাহ তাআলা সেইদিন তাহাদের কোন ওজর আপত্তি শুনিবেন না।

ইসলামিক ক্যাটাগরি ভিজিট করুন

পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ

Leave a Comment