আসরের নামাজের ইতিহাস

হযরত ইউনুস (আ:) নিনুয়া দেশ থেকে হিজরত করার সময় নদী গর্ভে নিম্নে বর্ণিত চারটি মুসিবতে পড়ে তা থেকে উদ্ধার পেয়ে নামাজ পড়েছিলেন।

  • নীল দরিয়ার পানির ভিতরের অন্ধকার।
  • বিরাট এক মাছের ভক্ষণ জনিত পেটের ভিতর অধিকতর অন্ধকার।
  • উক্ত মাছকে অন্য আরেকটি বিরাট মাছের ভক্ষণজনিত অধিকতর ঘোর অন্ধকার।
  • তদুপরি রাত্রির অন্ধকার।

তিনি মাছের পেট থেকে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ “দোয়া ইউনুস” লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ যোয়ালিমিন। অর্থাৎ তুমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। তুমি পবিত্র, মহান। আমিতো সীমালংঘনকারী।

অবশেষে ৪০ দিন অন্তে দিবা শেষে আসরের সময় তাকে নীল দরিয়ার কূলে বালুচরে উভয় মাছই উদগীরণ করে দেয়। অতঃপর একটি কদু গাছের (লাউ গাছের) পাতা ছায়া দন্ড করে এবং বন থেকে আগত একটি ছাগীর দুধ পান করে শক্তি সঞ্চয় করেন। উপরোক্ত চারটি মুছিবত থেকে মুক্তি পেয়ে লাউ গাছের ফল খেয়ে এবং ছাগীর দুধ পান করে শরীরে শক্তি সঞ্চয় করে আল্লাহ তাআলা শুকরিয়া স্বরূপ আসরের চার রাকাত নামাজ আদায় করেন। হযরত ইউনুস (আ:) এর স্মৃতি রক্ষার্থে পরবর্তীকালে উম্মতে মুহাম্মদীর ওপর আসরের সময় চার রাকাত নামাজ ফরজ করা হয়েছে।

আরো ভালো ভালো ইসলামিক পোস্ট পেতে আমাদের ইসলামিক ক্যাটাগরি ভিজিট করুন

পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ