ওভেন কাপড় এর বৈশিষ্ট্য

টানা ও পড়েন সুতার সাহায্যে বন্ধনী সৃষ্টির মাধ্যমে যে কাপড় তাঁতে বোনা হয় তাকে বোনা কাপড়/ওভেন কাপড় বলা হয়।

ওভেন কাপড়ের বৈশিষ্ট্য

  • ওভেন কাপড় প্রাচীনতম পদ্ধতি এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত কাপড়।
  • ওভেন কাপড় উইভিং প্রক্রিয়ায় উৎপাদন করা হয়।
  • ওভেন কাপড় অনেক মজবুত হয়। কারন দুই সারি সুতার দ্বারা তাঁতের সাহায্যে বন্ধনী তৈরীর মাধ্যমে এই কাপড় তৈরি করা হয়।
  • কাপড়ের প্রসারণ ক্ষমতা, কোমলতা নিট ফেব্রিক এর থেকে কম। কিন্তু কাপড় আয়রন করার ক্ষমতা এবং খাপি সাধারণত নিট ফেব্রিক এর থেকে বেশি হয়।
  • ওভেন কাপড়ের ফেস সাইড এবং ব্যাক সাইট একই রকম অথবা ভিন্ন রকম হতে পারে। যেমন :- সাধারন বুনন প্লেন উইভ এর ক্ষেত্রে ফেস সাইড এবং ব্যাক সাইড একই রকম হবে। কিন্তু টুইল, ডায়মন্ড, হানিকম্ব ডিজাইনের ক্ষেত্রে ফেস সাইড এবং ব্যাক সাইড বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।
  • ওভেন কাপড়ের ডিজাইন যদি প্লেইন হয়ে থাকে তাহলে কাপড়টি অত্যন্ত মিশ্রণ ও সমতল থাকে।
  • ওভেন কাপড়ের ডিজাইন যদি টুইল, ডায়মন্ড, হানিকম্ব হয়ে থাকে তাহলে কাপড়ের প্রদেশ মিশ্রণ এবং সমতল থাকে না মানে খসখসে প্রাকৃতির হয়।
  • অধিকাংশ সময়ে ওভেন কাপড় ভাঁজ করে প্যাকিং করা হয়।
  • ওভেন কাপড়ে মাড় জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হয় যার ফলে, কাপড়ে শক্ত, মজবুত এবং কোমল অনুভূতি হয়। তাছাড়াও মাড় ব্যবহার করার ফলে কাপড়ের চাকচিক্য বৃদ্ধি পায়।
  • অধিকাংশ সময়ে ওভেন কাপড়ে সিজিং করা হয়। কারণ কাপড়ে লোমশ ভাব বেশি থাকে।
  • ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ডিজাইন বিশিষ্ট কাপড় তৈরি করা হয়, যেমন :- 
  1. প্লেইন (Plain)
  2. টুইল (Twill)
  3. হানিকম্ব (Honey Comb)
  • ওভেন কাপড়ের একদিকে বা উভয় দিকে রেজিন ট্রিটমেন্ট থাকতে পারে। অথবা আঠালো পদার্থ দ্বারা জোড়া লাগানো হতে পারে।
  • ওভেন কাপড়ের একদিকে বা উভয় দিকে রেইজিং ফিনিশিং করা থাকে।
  • ওভেন কাপড় এক থেকে ট্রিপল প্লাই বিশিষ্ট হতে পারে। যেমন :- 
  1. কম্বল (Blanket)
  2. ফ্লানেল কাপড় (Flannel cloth)

আপনার পছন্দ হতে পারে

পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ

আরো ভালো ভালো পোস্ট পেতে টেক্সটাইল বাংলাকে সাবস্ক্রাইব করুন

Leave a Comment